ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির চরম উত্তেজনার মধ্যেই দেশটিতে নতুন সর্বোচ্চ নেতা ঘোষণার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর তার উত্তরসূরি নির্বাচনে কাজ করছে ৮৮ সদস্যের বিশেষজ্ঞ পরিষদ (অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস)। কট্টরপন্থী এবং কোণঠাসা সংস্কারপন্থী নেতাদের মধ্যে ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে নানামুখী আলোচনার মধ্যেই এই তথ্য সামনে এলো। খবর আল জাজিরার।বিশেষজ্ঞ পরিষদের শীর্ষ নেতা মোহাম্মদ মেহদি মিরবাঘেরি জানিয়েছেন, নতুন নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত। ফার্স নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, একটি প্রায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো গেছে এবং বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠতা তৈরি হয়েছে। তবে কিছু বাধা এখনো রয়ে গেছে, যা শীঘ্রই দূর হবে বলে আমরা আশা করছি।
মাদরাসা-ই-ইলমিয়া কোমের এই প্রধান আরও জানান, অভ্যন্তরীণ সংহতি বজায় রাখতে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে এই নির্বাচন করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, মাশহাদের প্রতিনিধি আহমদ আলমোলহোদা জানিয়েছেন, নেতা নির্বাচন হয়ে গেছে এবং সচিবালয় থেকে দ্রুতই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে।
প্রয়াত নেতা আলী খামেনীর দ্বিতীয় পুত্র মোজতবা খামেনীকে এই পদের জন্য প্রধান দাবিদার মনে করা হচ্ছে। শক্তিশালী রেভল্যুশনারি গার্ডসের (আইআরজিসি) শীর্ষ কমান্ডারদের বড় একটি অংশ তার পক্ষে রয়েছে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মোজতবার এই পদে আরোহণের বিরোধিতা করেছেন।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক,রোববার ০৮ মার্চ এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।




















